রাফি হোসেনের বয়স মাত্র ২৬ বছর। ঢাকার মিরপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ক্রিকেট তার নেশা, ছোটবেলা থেকেই। বাংলাদেশের প্রতিটি ম্যাচ তিনি গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখেন, খেলোয়াড়দের পরিসংখ্যান মুখস্থ থাকে তার। এই জ্ঞানটাকেই তিনি কাজে লাগালেন kxk8-এ।
শুরুটা হয়েছিল একটু ভিন্নভাবে। বন্ধুর কাছ থেকে kxk8-এর কথা শুনে প্রথমে বেশ সন্দেহ ছিল রাফির। বিদেশি বেটিং সাইটগুলোতে ঢুকে হতাশ হয়েছিলেন বারবার – ইংরেজি বুঝতে অসুবিধা, বিকাশে পেমেন্ট নেই, কাস্টমার সার্ভিসে ফোন করলে কেউ বাংলায় কথা বলে না। কিন্তু kxk8-এ ঢুকে প্রথম দিনেই চমকে গেলেন।
প্রথম তিন মাস – শেখার পর্যায়
রাফি প্রথম মাসে বড় বাজি না ধরে ছোট ছোট বেটে অভিজ্ঞতা নিলেন। প্রতিটি ম্যাচের আগে বিভিন্ন মার্কেট পড়লেন, বুঝলেন ওভার/আন্ডার আর হ্যান্ডিক্যাপের ফারাক। প্রথম মাসে লাভ বেশি না হলেও লোকসানও হয়নি। দ্বিতীয় মাস থেকে তিনি একটি নিজস্ব পদ্ধতি তৈরি করলেন – পিচ রিপোর্ট, আবহাওয়া এবং দলের গত পাঁচ ম্যাচের ফর্ম বিশ্লেষণ করে তারপর বাজি রাখেন।
টার্নিং পয়েন্ট – এশিয়া কাপ
রাফির জীবনের টার্নিং পয়েন্ট এলো এশিয়া কাপের সময়। বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচে সবাই ভারতের পক্ষে বাজি ধরছিল। কিন্তু রাফি পিচ রিপোর্ট দেখে বুঝলেন উইকেটটি স্পিনারদের জন্য সহায়ক, আর বাংলাদেশের স্পিন বিভাগ তখন দারুণ ফর্মে। তিনি বাংলাদেশের পক্ষে বড় বাজি ধরলেন। বাংলাদেশ জিতল, এবং সেই একটি বাজিতেই রাফির আগের দুই মাসের সব লোকসান পুষিয়ে গেল।